ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভা

সুৃমন ও সামিহা দুই জনের মধ্য কথাপোকথন চলচ্ছে। তারা ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভা ও কল্পনা চাওলা এর জীবনী নিয়ে কথা বলচ্ছে। তুমি কি জানো ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভা ও কল্পনা চাওলা সম্পর্কে? এটা আমাদের একাদশ ও দাদ্বশ শ্রেণির ইউনিট ১ লেসন ৩ এর একটি পাঠ্য বিষয়। আমি কিছুটা জানি তবুও চলো দেখে আসি তারা কি কথা বলছিল ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভা ও কল্পনা চাওলাকে নিয়ে।

সামিহা: তুমি কি ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভা সম্পর্কে জানো?


সুমন: কিছু দিন আগে আমি এই পাঠ্যটি পড়ে ছিলাম। ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভা বিশ্বের প্রথম মহাকাশে ভ্রমণকারী একজন নারী। ১৯৬৩ সালের ১৬ জুন তিনি মহাকাশ ভ্রমণ করেন।


সামিহা: হ্যা, তুমি দেখেছ, সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশে নারী নভোচারী পাঠানোর কথা ঘোষণা করার পর ৪০০শত জন নারী অ্যাপ্লাই করে। যার মধ্য থেকে ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভা মহাকাশে মনোনীত হয়।

পড়তে এখানে ক্লিক করুন..

সুমন: তার আগে দেখ, কিন্তু একটা সাধারণ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করে। তারা বাবা ছিলেন একজন ট্রাক ড্রাইভার এবং তার মা পোশাক কারখানায় কাজ করত। আর তার স্কুল জীবন টা দেখ ১৯৪৫ সালে শুরু করে ১৯৫৩ সালে শেষ হয়। মাত্র ৮ বছর স্থায়ীত্ত ছিল তার স্কুল জীবন তবে দূর শিক্ষণের মাধ্যমে কিন্তু সে তার লেখাপড়া চালিয়ে যেত। তরুণী বয়স থেকেই তার প্যারাশুটিং উড্ডয়নে শখ ছিল। যে কারণে সে স্থানীয় নভোক্লাবে নভোঝাপের প্রশিক্ষণ নিয়ে ছিলেন।

সামিহা: তারপর, তিনি প্রথম লাফ দেন, ১৯৫৯ সালের ২১ শে মে তখন তাঁর বয়স ছিল ২২ বছর। তাঁর এই লাফ দেওয়ায় পারদর্শিতা থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম নারী মহাকাশচারী হিসেবে বিবেচিত হন। 

সুমন: উড্ডয়নের পূর্বে তার অনেক প্রশিক্ষণ নিতে হয়ে ছিলো। ওজনহীন উড্ডয়ন, অন্তরন পরীক্ষা, কেন্দ্র থেকে অপসারণ হওয়ার পরীক্ষা, রকেট থিউরি, মহাকাশযান প্রকৌশাল, ১২০ প্যারাশুট লম্ফ ও জেট  ফাইটার বৈমানিক প্রশিক্ষণ।

সামিহা: শেষ পর্যন্ত সেই কারখানা শ্রমিক, এক প্রথম নারী মহাকাশচারী, প্রকৌশল বিজ্ঞানে ডক্টারেট ডিগ্রী অর্জন এবং রাজনীতিতে যোগদান। আবার তিনি জীবনে শুধু মাত্র যাওয়ার জন্য হলেও মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন।
আমি মনে করি, তাঁর জীবন থেকে নারীদের অনুপ্ররণা নেওয়ার অনেকগুলো পয়েন্ট আছে।

সুমন: তোমাকে ধন্যবাদ। অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য।

সামিয়া: তোমাকেও ধন্যবাদ। পাঠ্যটি আলোচনার মাধ্যমে আমাকে সঙ্গ দেওয়ার ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বের করে নিয়ে আসার জন্য। যা আমাদের সারা জীবন মনে রাখতে সহযোগীতা করবে।

হ্যা, এটা আমারও অনেক সহযোগীতা করবে। কেননা, পাঠ্য বিষয়টির বাংলা অর্থ ও কাহিনী টা জানার জন্য এটি আমার পাঠ্য বই থেকে সহজে বুঝতে সহযোগীতা করবে।

আমি এবার আমার পাঠ্য বই থেকে পাঠ্য বিষয়টি পড়বো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *